Loss of Agricultural Products at Harvesting Period and Post Harvest
http://bit.ly/2XNXYFL
ধান ছাড়াও আরো আটটি ফসলের উৎপাদনের তথ্য উঠে এসেছে প্রতিবেদনটিতে। এতে বলা হয়েছে গত বছর মাড়াই ও এর পরবর্তী সময়ে মোট ৫১ হাজার ২৯৯ টন গম নষ্ট হয়েছে। ভুট্টা নষ্ট হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৩ টন। একই সময়ে ৪ লাখ ৭১ হাজার ২৪০ টন পাট ও ৬ লাখ ১৮ হাজার টন আলু নষ্ট হয়েছে। মসুর ডাল নষ্ট হয়েছে ১৪ হাজার ৫৭ টন। এর বাইরে ২৪ হাজার ২৩৩ টন সরিষা, ৭ হাজার ৫৮৩ টন হলুদ ও ৩০ হাজার ৫২৪ টন মরিচ নষ্ট হয়েছে। এ সব পণ্যের দাম হিসাব করলে গত বছর ফসলহানি হয়েছে ১১ হাজার ৬৫১ কোটি টাকার।
সার্বিক বিচারে বাংলাদেশে ধানের অপচয়ের হার অন্যান্য দেশের তুলনায় খুব বেশি হচ্ছে না বলে মনে করেন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক কৃষিবিদ এম হামিদুর রহমান। বাংলাদেশের খবরকে তিনি বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যে জর্জরিত বাংলাদেশে এক সময়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপচয় কমিয়ে আনা, গুণগত মান নিশ্চিত করার মতো বিষয়ে ততটা নজর দেওয়া হয়নি। তবে খাদ্য ঘাটতির পরিমাণ প্রায় শূন্যের কাছাকাছি চলে আসায় অন্যান্য বিষয়ে নজর দেওয়া হচ্ছে।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো ড. তাওফিকুল ইসলাম খান বলেন, সাম্প্রতিক কয়েক বছরে ধানের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। তবে ধান চাষে পাওয়ারট্রিলার ব্যবহার ছাড়া অন্য কোনো প্রযুক্তির প্রচলন দেখা যাচ্ছে না। সরকারের সব প্রণোদনাও পাওয়ারট্রিলার ঘিরে। ফসল সংরক্ষণে অবকাঠামোর পাশাপাশি কৃষকদের দক্ষতার অভাব রয়েছে।
ধান ছাড়াও আরো আটটি ফসলের উৎপাদনের তথ্য উঠে এসেছে প্রতিবেদনটিতে। এতে বলা হয়েছে গত বছর মাড়াই ও এর পরবর্তী সময়ে মোট ৫১ হাজার ২৯৯ টন গম নষ্ট হয়েছে। ভুট্টা নষ্ট হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৩ টন। একই সময়ে ৪ লাখ ৭১ হাজার ২৪০ টন পাট ও ৬ লাখ ১৮ হাজার টন আলু নষ্ট হয়েছে। মসুর ডাল নষ্ট হয়েছে ১৪ হাজার ৫৭ টন। এর বাইরে ২৪ হাজার ২৩৩ টন সরিষা, ৭ হাজার ৫৮৩ টন হলুদ ও ৩০ হাজার ৫২৪ টন মরিচ নষ্ট হয়েছে। এ সব পণ্যের দাম হিসাব করলে গত বছর ফসলহানি হয়েছে ১১ হাজার ৬৫১ কোটি টাকার।
সার্বিক বিচারে বাংলাদেশে ধানের অপচয়ের হার অন্যান্য দেশের তুলনায় খুব বেশি হচ্ছে না বলে মনে করেন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক কৃষিবিদ এম হামিদুর রহমান। বাংলাদেশের খবরকে তিনি বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যে জর্জরিত বাংলাদেশে এক সময়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপচয় কমিয়ে আনা, গুণগত মান নিশ্চিত করার মতো বিষয়ে ততটা নজর দেওয়া হয়নি। তবে খাদ্য ঘাটতির পরিমাণ প্রায় শূন্যের কাছাকাছি চলে আসায় অন্যান্য বিষয়ে নজর দেওয়া হচ্ছে।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো ড. তাওফিকুল ইসলাম খান বলেন, সাম্প্রতিক কয়েক বছরে ধানের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। তবে ধান চাষে পাওয়ারট্রিলার ব্যবহার ছাড়া অন্য কোনো প্রযুক্তির প্রচলন দেখা যাচ্ছে না। সরকারের সব প্রণোদনাও পাওয়ারট্রিলার ঘিরে। ফসল সংরক্ষণে অবকাঠামোর পাশাপাশি কৃষকদের দক্ষতার অভাব রয়েছে।

No comments